সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কয়িনের স্ত্রী কে ? তিনি কি কয়িনের বোন ছিলেন ? Who was Cain’s wife ?

 

কয়িনের স্ত্রী কে ছিলেন , এ বিষয়ে বাইবেলে নির্দিষ্ট করে কোন কিছুই লেখা নেই। এই প্রশ্নের একটাই মাত্র সম্ভাব্য উত্তর হচ্ছে , কয়িনের স্ত্রী তার বোন অথবা আদম ও হবার নাতনি ছিলেন। পবিত্র বাইবেল কখনোই বলেনি যে , কয়িন কত বছর বয়সে হেবলকে খুন করেছিলেন ( “আদিপুস্তক ৪ অধ্যায় : ৮ পদ” )। যেহেতু তারা দু’জনেই কৃষক ছিলেন , সেজন্য বলা যায় যে তারা পূর্ন বয়স্ক ছিলেন। ( আদিপুস্তক ৫ অধ্যায় : ৪ পদ ) অনুযায়ী কয়িন ও হেবল ছাড়া , আদম ও হবা নিশ্চয়ই আরও অনেক ছেলে-মেয়ের জন্ম দিয়েছিলেন। বাস্তবিক হেবলকে খুন করার পরে কয়িন তার নিজের মৃত্যুর ভয়ে শংকিত ছিল ; ( আদিপুস্তক ৪ অধ্যায় : ১৪ পদ ) যা নির্দেশ করে যে , আদমের আরও অনেক ছেলে-মেয়ে এবং সম্ভবত নাতি-নাতনিও ছিল , যারা সেই সময়ে তাদের সাথে বসবাস করত। তাহলে ধরা যেতে পারে , কয়িনের স্ত্রী আদম ও হবার মেয়ে বা নাতনি ছিল।




যেহেতু আদম ও হবা মানব জাতির প্রথম পুরুষ ও নারী , তাই তাদের ছেলে-মেয়েদের নিজেদের মধ্যে বিয়ে করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। সম্ভব্য যতদিন পর্যন্ত লোকের সংখ্যা যথেষ্ট বৃদ্ধি হয় নাই ততদিন পর্যন্ত পরিবারের মধ্যে বিয়ে করাটা সাধারন বিষয় ছিল ; এবং ঈশ্বর সেই সময় পরিবারের মধ্যে বিয়ে হওয়াটা নিষিদ্ধ করেন নাই । বর্তমানেও নিকট আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে বিয়ের ফলে নানা অস্বাভাবিক সন্তান জন্ম হয়। সাধারণত , যদি একই পরিবারের সন্তানদের মধ্যে বিয়ে হয় যেমন , ( ভাই ও বোন ) তাহলে তাদের সন্তানেরা বিকলাংগ ও অস্বাভাবিক বা বিকৃত হবার প্রবল ঝুঁকি থাকে। বিভিন্ন পরিবারের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে সাধারণত একই ধরণের রক্তের বৈশিষ্ট্য না থাকারই বেশী সম্ভাবনা।

আদম ও হবার কোন জন্ম-ত্রুটি ছিল না , সেই জন্য তাদের বংশের প্রথম দিকে বেশ কয়েক পুরুষের মধ্যে স্বস্থ্যের দিক দিয়ে গুণগত মান আমাদের চেয়ে অনেক বেশী ভাল ছিল। আদম ও হবার ছেলে-মেয়েদের মধ্যে খুব কমই জন্ম-ত্রুটির সম্ভাবনা ছিল , সেই জন্য তাদের পক্ষে পরিবারের মধ্যে বিবাহ করাটাও নিরাপদ ছিল।

--------------------------------------------------------------------------------------------

The Bible does not specifically say who Cain’s wife was. The only possible answer is that Cain’s wife was his sister or niece or great-niece, etc. The Bible does not say how old Cain was when he killed Abel (Genesis 4:8), but they both were likely full-grown adults. Adam and Eve surely had given birth to more children than just Cain and Abel at the time Abel was killed. They definitely had many more children later (Genesis 5:4). The fact that Cain was scared for his own life after he killed Abel (Genesis 4:14) indicates that there were likely many other children and perhaps even grandchildren of Adam and Eve living at that time. Cain’s wife (Genesis 4:17) was a daughter or granddaughter of Adam and Eve.



Since Adam and Eve were the first (and only) human beings, their children would have no other choice than to intermarry. God did not forbid inter-family marriage until much later when there were enough people to make intermarriage unnecessary (
Leviticus 18:6–18). The reason that incest today often results in genetic abnormalities is that, when two people of similar genetics (i.e., a brother and sister) have children together, there is a high risk of their recessive characteristics becoming dominant. When people from different families have children, it is highly unlikely that both parents will carry the same recessive traits. The human genetic code has become increasingly damaged over the centuries as genetic defects are multiplied, amplified, and passed down from generation to generation. Adam and Eve were perfectly designed by God, and their lack of genetic defects enabled them (and the first few generations of their descendants) to have a greater quality of health than we do now.

When sin entered the world through Adam and Eve’s disobedience to God, it brought sickness, disease, and a compromised bloodline for all their descendants. Their children had few, if any, genetic mutations; therefore, they could intermarry safely.

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খ্রীষ্টান নিপীড়নের রহস্য; বাইবেলের বাণী ও ঈশ্বরের পরিকল্পনা / The Mystery of Christian Persecution; The Word of the Bible and God's Plan

  কল্পনা করুন , এক গভীর রাত। একটি ছোট্ট ঘরে কয়েকজন মানুষ ভয়ে জড়ো হয়েছেন। তাদের হাতে একটি বই — বাইবেল। তাদের প্রার্থনা একটি গোপন অপরাধ। কেন ? কারণ তাদের বিশ্বাস তাদের জীবনের জন্য হুমকি। এই ঘটনাটা কি শুধুই কল্পনা ? না , এটি আজও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ই ঘটে চলেছে । আজ আমরা জানব , কেন খ্রীষ্টানরা নির্যাতিত হচ্ছেন , এবং তারই পাশাপাশি ধর্মীয় স্বাধীনতা কীভাবে এই অন্ধকারকে দূর করতে পারে। এই ভিডিও শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার সঙ্গে থাকুন , কারণ এই ভিডিওটি আপনার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে । আজ আমরা একটি বেদনাদায়ক কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলব সেটি হোল — “ খ্রীষ্টান নিপীড়ন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা। ” বিশ্বের কয়েক কোটি খ্রীষ্টান তাদের বিশ্বাসের জন্য কষ্ট সহ্য করছেন। কিন্তু কেন ? কারা এই নির্যাতনের পেছনে ? এবং বাইবেল আমাদের এই কষ্টের মাঝে কী শিক্ষা দেয় ? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে আমরা ইতিহাস , বর্তমান , এবং ঈশ্বরের বাণীর মধ্য দিয়ে যাত্রা করব । বাইবেল বলে “ ধন্য যাহারা ধার্মিকতার জন্য তাড়িত হইয়াছে , কারণ স্বর্গ-রাজ্য তাহাদেরই । ” মথি ৫ অধ্যায় : ১০ পদ । এই বাক্যটি প্রভু ...

শিথিলতা: ঈশ্বরের বাক্যের সাথে কাজের অমিল এবং ধর্মগ্রন্থ থেকে বিচ্যুত হওয়ার বিপদ। Laxity: The inconsistency of actions with the Word of God and the danger of deviating from the Scriptures.

  নমস্কার প্রিয় পাঠক বন্ধুরা , আমাদের আগের লেখা গুলোতে আমরা উল্লেখ করেছি , শিথিলতা এমন একটি আত্মিক অবস্থা যা একজন ব্যক্তির ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্য এবং নৈতিকতার প্রতি দৃঢ়তার ক্ষতি করে। এটি এমন এক নিঃশব্দ বিপদ , যা আমাদের আত্মিক জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে। তবে , শিথিলতা কেবল একটি ব্যক্তিগত সমস্যা নয় ; এটি মণ্ডলীতেও বিরূপ প্রভাব ফেলে । বাইবেলের ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয় , ঈশ্বর মানব জাতিকে তাঁর বাক্য অনুসারে চলতে বহুবার সতর্ক করেছেন। উদাহরণস্বরূপ , আদম ও হবার ঘটনা টি দেখা যেতে পারে । ঈশ্বর তাদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন , “ সদসদ্‌-জ্ঞানদায়ক বৃক্ষের ফল খেও না।” কিন্তু শয়তানের প্ররোচনায় তারা সেই আদেশ লঙ্ঘন করেছিল । এর ফলাফল কী হলো ? তারা পাপের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হলো এবং ঈশ্বরের সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক নষ্ট হলো । এই ঘটনার মতোই আমাদের জীবনে শিথিলতা আসে , যখন আমরা ঈশ্বরের বাক্যকে অগ্রাহ্য করি বা নিজেদের সুবিধামতো তার ব্যাখ্যা করতে চেষ্টা করি। মথি ৭ অধ্যায় : ২১ থেকে ২৩ পদে প্রভু যীশু বলেছেন , “যাহারা আমাকে হে প্রভু , হে প্রভু বলে , তাহারা সকলেই যে স্বর্গ-রাজ্যে প্রবেশ ক...

বিশ্বস্ততা বাইবেলের শিক্ষা ও মণ্ডলীর দৃষ্টান্ত | ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস, অবাধ্যতা, লোভ ও অহংকার | খ্রীষ্টীয় উপদেশ

  নমস্কার প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ততা খ্রীষ্টীয় জীবনের এক অন্যতম ভিত্তি মূল । এটি এমন এক দৃঢ় বিশ্বাস , যা ঈশ্বরের প্রতি ভালবাসা এবং তাঁর নির্দেশাবলীর প্রতি আনুগত্যে প্রতিফলিত হয়। বাইবেলের বিভিন্নও জায়গায় আমরা বারবার দেখতে পাই যে, আদম ও হবার পাপের পতন থেকে শুরু করে ইস্রায়েল জাতির ভ্রমণ পর্যন্ত , ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ততার অভাবই মানবজাতির সমস্ত দুঃখ-কষ্টের মূল কারণ। বিশ্বস্ততার সংজ্ঞা বাইবেলে অত্যন্ত স্পষ্ট : “ আর বিশ্বাস প্রত্যাশিত বিষয়ের নিশ্চয়জ্ঞান , অদৃশ্য বিষয়ের প্র্রমাণপ্রাপ্তি ” ( ইব্রীয় ১১ অধ্যায় : ১ পদ ) । আদিপুস্তক ২২ অধ্যায় : ১ থেকে ১৮ পদের ঘটনাটি এর একটি উজ্জ্বল উদাহরণ , যেখানে আমরা দেখি কিভাবে আব্রাহাম ঈশ্বরের প্রতি অটুট বিশ্বাস প্রদর্শন করেছিলেন । এই ঘটনাটি আমাদের শেখায় যে , ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসের মাধ্যমে আব্রাহাম ঈশ্বরের অনুগ্রহ লাভ করেছিলেন । কিন্তু আমাদের জীবনে , এবং কখনো কখনো মণ্ডলীতেও , আমরা দেখতে পাই অবাধ্যতা , ঈশ্বরের প্রতি অবিশ্বাস , জাগতিক প্রলোভন এবং অহংকারের মতো বিষয়গুলো ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ততার অভাব তৈরি করে। এখন প্রশ্ন হলো , মণ্ড...