সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How do we know people ? আমরা কিভাবে মানুষ চিনবো ? এর অর্থ কী যে “ হৃদয়ের উপচয় হইতে তাহার মুখ কথা কহে ” ?

বাইবেলের এই অংশে , প্রভু যীশু আমাদের বলেন কিভাবে আমরা একজন ব্যক্তির চরিত্র বিচার করতে পারি। আমরা এটিকে অনেকটা এইভাবে দেখতে পারি যেভাবে আমরা একটি গাছের দিকে তাকাই , এটা বুঝবার জন্য যে এটি একটি “ ভাল ” গাছ কিনা : “ কারণ এমন ভাল গাছ নাই , যাহাতে মন্দ ফল ধরে , এবং এমন মন্দ গাছও নাই , যাহাতে ভাল ফল ধরে । স্ব স্ব ফল দ্বারাই প্রত্যেক গাছ চেনা যায় ; লোকে ত কাঁটাবন হইতে ডুমুর সংগ্রহ করে না , এবং শ্যাকুলের ঝোপ হইতে দ্রাক্ষাফল সংগ্রহ করে না । ” ( লূক 6 অধ্যায় : 43 থেকে ৪৪ পদ )। আপনার কী ধরনের গাছ আছে তা জানতে হলে আপনাকে গাছের ফলের দিকে লক্ষ্য করতে হবে। একটি ভাল ন‍্যাসপাতি গাছ যেমন ভালো ফল দেয় ঠিক তেমনি একটি ব্র্যাডফোর্ড ন‍্যাসপাতি গাছও ভালো ফল দেয় কিন্তু তফাৎ হল ব্র্যাডফোর্ড ন‍্যাসপাতি ফলটি আকারের ছোট কিন্তু খাবার অনুপযোগী। এখন প্রশ্ন হল দুটোই ন‍্যাসপাতি গাছ কিন্তু একটা ফল খাবার উপযোগী ও অন্যটি খাবার উপযোগী নয় । এই গাছের ভিতরে কী আছে ? গাছটি আসলে কী দিয়ে তৈরি ? এই সকল বিষয় নির্ধারণ করবে এটি কী ধরনের ফল দেয়। তাই এই বিষয়টি মানুষের ক্ষেত্রেও একই সত্য।


( লূক 6 অধ্যায় : 45 পদে ) প্রভু যীশু বলেছেন যে লোকেরা যা বলে এবং যা করে তার দ্বারা বিচার করা যেতে পারে কারণ এই জিনিসগুলি প্রকাশ করে যে ব্যক্তির ভিতরে কী রয়েছে : “ ভাল মানুষ আপন হৃদয়ের ভাল ভাণ্ডার হইতে ভালই বাহির করে ; এবং মন্দ মানুষ মন্দ ভাণ্ডার হইতে মন্দই বাহির করে ; যেহেতু হৃদয়ের উপচয় হইতে তাহার মুখ কথা কহে।” আপনি যদি একজন ব্যক্তির অভ্যন্তরে কী আছে তা জানতে চান , আপনি কেবল তার ক্রিয়াকলাপ দেখুন ; নিয়মিত তার মুখ থেকে যা বের হয় তা শুনুন। আমাদের মনে রাখতে হবে এটা কোন ভাবেই বিচারমূলক নয় কিন্তু বাস্তবসম্মত। 

একজন ব্যক্তি যদি নিয়মিতভাবে রেগে যান , অভদ্র আচরণ করেন , অশ্লীল বা অনৈতিক কথা বলেন , তাহলে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে তিনি “ভিতরে” এইরকমই। একজন ব্যক্তি যদি ক্রমাগতভাবে সদয় , উত্সাহজনক এবং বিনয়ী হন , তাহলে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে তিনি “ভিতরে” এই রকম। অবশ্যই , এটা সম্ভব যে কেউ তার চরিত্র সম্পর্কে অন্যদের ধোঁকা দেওয়ার জন্য একটি মুখোশ তৈরি করতে পারে , কিন্তু অবশেষে ভিতরে যা আছে তা বেরিয়ে আসবেই।

প্রভু যীশুর কথার প্রয়োগের প্রাথমিক বিষয়টা এইরকম বলে মনে হয় : যখন আমরা দেখি একজন মানুষের কথায় এবং কাজে ক্রমাগত মন্দ বেরিয়ে আসছে , তখন আমাদের এই বলে নিজেদেরকে প্রতারিত করা উচিত নয় যে , “ আমি মনে করি সে আসলেই একজন ভালো মানুষ ; তার শুধু কিছু বদ অভ্যাস আছে ” বা “ সে যেভাবে কথা বলুক না কেন , কিন্তু সে আসলে সেরকম নয়।” কত লোক প্রেমে পড়ে এবং বিয়ে করে , এই ভেবে যে তারা যে খারাপ আচরণ দেখেছে তা কেবল একটি বিভ্রান্তি ? কতজন বাবা-মা তাদের সন্তানদের আধ্যাত্মিক অবস্থা সম্পর্কে নিজেদেরকে প্রতারিত করে এই ভেবে , যে তারা শৈশবকালের বিশ্বাসের দ্বারা বেরে উঠেছে বলেই তারা সত্যিকারের বিশ্বাসী , যদিও তাদের জীবন মন্দ হৃদয় দ্বারা মন্দকেই প্রতিনিধিত্ব করে। প্রভু যীশু তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে ধারাবাহিকভাবে পাপপূর্ণ কথা এবং কাজগুলি একটি পাপী হৃদয়ের ইঙ্গিত দেয়।

--------------------------------------------------------------------------------------------

In this part of the Bible, the Lord Jesus tells us how we can judge a person's character. We can look at it much like we look at a tree to see if it is a “good” tree: “For there is no good tree that bears bad fruit, and no bad tree that bears good fruit. Each tree is known by its own fruit; People do not gather figs from thorn bushes, and grapes from brambles. (Luke Chapter 6: Verses 43 to 44). To know what kind of tree you have, you need to look at the fruit of the tree. Just as a good pear tree produces good fruit, a Bradford pear tree also produces good fruit but the difference is that the Bradford pear fruit is smaller in size but inedible. Now the question is that both are pear trees but one fruit is edible and the other is not edible. What is inside this tree? What is the tree actually made of? All these factors will determine what kind of results it produces. So this matter is also true for humans.


(Luke Chapter 6: Verse 45) The Lord Jesus said that people can be judged by what they say and do because these things reveal what is inside a person: “A good man out of the good treasure of his heart brings forth good; And evil men bring forth evil from evil storehouses; For out of the abundance of the heart his mouth speaks." If you want to know what is inside a person, you just look at his actions; Listen to what comes out of his mouth regularly. We must remember that this is not judgmental in any way but realistic.

If a person regularly gets angry, behaves rudely, says obscene or immoral things, you can be sure that he is like this “inside”. If a person is consistently kind, encouraging, and polite, you can be sure that they are like this "on the inside." Of course, it is possible that one may create a mask to deceive others about his character, but eventually what is inside will come out.

The primary point of application of the Lord Jesus' words seems to be this: When we see a man's words and deeds continually showing evil, we should not deceive ourselves by saying, “I think he is really a good man; He just has some bad habits” or “No matter how he talks, he's not like that.” How many people fall in love and marry, thinking that the bad behavior they witnessed was just a delusion? How many parents deceive themselves as to the spiritual condition of their children, thinking that they are true believers because they have been raised by the faith of childhood, though their lives represent evil through an evil heart. The Lord Jesus meant that consistently sinful words and actions indicate a sinful heart.

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খ্রীষ্টান নিপীড়নের রহস্য; বাইবেলের বাণী ও ঈশ্বরের পরিকল্পনা / The Mystery of Christian Persecution; The Word of the Bible and God's Plan

  কল্পনা করুন , এক গভীর রাত। একটি ছোট্ট ঘরে কয়েকজন মানুষ ভয়ে জড়ো হয়েছেন। তাদের হাতে একটি বই — বাইবেল। তাদের প্রার্থনা একটি গোপন অপরাধ। কেন ? কারণ তাদের বিশ্বাস তাদের জীবনের জন্য হুমকি। এই ঘটনাটা কি শুধুই কল্পনা ? না , এটি আজও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ই ঘটে চলেছে । আজ আমরা জানব , কেন খ্রীষ্টানরা নির্যাতিত হচ্ছেন , এবং তারই পাশাপাশি ধর্মীয় স্বাধীনতা কীভাবে এই অন্ধকারকে দূর করতে পারে। এই ভিডিও শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার সঙ্গে থাকুন , কারণ এই ভিডিওটি আপনার হৃদয় ছুঁয়ে যাবে । আজ আমরা একটি বেদনাদায়ক কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলব সেটি হোল — “ খ্রীষ্টান নিপীড়ন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা। ” বিশ্বের কয়েক কোটি খ্রীষ্টান তাদের বিশ্বাসের জন্য কষ্ট সহ্য করছেন। কিন্তু কেন ? কারা এই নির্যাতনের পেছনে ? এবং বাইবেল আমাদের এই কষ্টের মাঝে কী শিক্ষা দেয় ? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে আমরা ইতিহাস , বর্তমান , এবং ঈশ্বরের বাণীর মধ্য দিয়ে যাত্রা করব । বাইবেল বলে “ ধন্য যাহারা ধার্মিকতার জন্য তাড়িত হইয়াছে , কারণ স্বর্গ-রাজ্য তাহাদেরই । ” মথি ৫ অধ্যায় : ১০ পদ । এই বাক্যটি প্রভু ...

শিথিলতা: ঈশ্বরের বাক্যের সাথে কাজের অমিল এবং ধর্মগ্রন্থ থেকে বিচ্যুত হওয়ার বিপদ। Laxity: The inconsistency of actions with the Word of God and the danger of deviating from the Scriptures.

  নমস্কার প্রিয় পাঠক বন্ধুরা , আমাদের আগের লেখা গুলোতে আমরা উল্লেখ করেছি , শিথিলতা এমন একটি আত্মিক অবস্থা যা একজন ব্যক্তির ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্য এবং নৈতিকতার প্রতি দৃঢ়তার ক্ষতি করে। এটি এমন এক নিঃশব্দ বিপদ , যা আমাদের আত্মিক জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে। তবে , শিথিলতা কেবল একটি ব্যক্তিগত সমস্যা নয় ; এটি মণ্ডলীতেও বিরূপ প্রভাব ফেলে । বাইবেলের ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয় , ঈশ্বর মানব জাতিকে তাঁর বাক্য অনুসারে চলতে বহুবার সতর্ক করেছেন। উদাহরণস্বরূপ , আদম ও হবার ঘটনা টি দেখা যেতে পারে । ঈশ্বর তাদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন , “ সদসদ্‌-জ্ঞানদায়ক বৃক্ষের ফল খেও না।” কিন্তু শয়তানের প্ররোচনায় তারা সেই আদেশ লঙ্ঘন করেছিল । এর ফলাফল কী হলো ? তারা পাপের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হলো এবং ঈশ্বরের সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক নষ্ট হলো । এই ঘটনার মতোই আমাদের জীবনে শিথিলতা আসে , যখন আমরা ঈশ্বরের বাক্যকে অগ্রাহ্য করি বা নিজেদের সুবিধামতো তার ব্যাখ্যা করতে চেষ্টা করি। মথি ৭ অধ্যায় : ২১ থেকে ২৩ পদে প্রভু যীশু বলেছেন , “যাহারা আমাকে হে প্রভু , হে প্রভু বলে , তাহারা সকলেই যে স্বর্গ-রাজ্যে প্রবেশ ক...

বিশ্বস্ততা বাইবেলের শিক্ষা ও মণ্ডলীর দৃষ্টান্ত | ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস, অবাধ্যতা, লোভ ও অহংকার | খ্রীষ্টীয় উপদেশ

  নমস্কার প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ততা খ্রীষ্টীয় জীবনের এক অন্যতম ভিত্তি মূল । এটি এমন এক দৃঢ় বিশ্বাস , যা ঈশ্বরের প্রতি ভালবাসা এবং তাঁর নির্দেশাবলীর প্রতি আনুগত্যে প্রতিফলিত হয়। বাইবেলের বিভিন্নও জায়গায় আমরা বারবার দেখতে পাই যে, আদম ও হবার পাপের পতন থেকে শুরু করে ইস্রায়েল জাতির ভ্রমণ পর্যন্ত , ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ততার অভাবই মানবজাতির সমস্ত দুঃখ-কষ্টের মূল কারণ। বিশ্বস্ততার সংজ্ঞা বাইবেলে অত্যন্ত স্পষ্ট : “ আর বিশ্বাস প্রত্যাশিত বিষয়ের নিশ্চয়জ্ঞান , অদৃশ্য বিষয়ের প্র্রমাণপ্রাপ্তি ” ( ইব্রীয় ১১ অধ্যায় : ১ পদ ) । আদিপুস্তক ২২ অধ্যায় : ১ থেকে ১৮ পদের ঘটনাটি এর একটি উজ্জ্বল উদাহরণ , যেখানে আমরা দেখি কিভাবে আব্রাহাম ঈশ্বরের প্রতি অটুট বিশ্বাস প্রদর্শন করেছিলেন । এই ঘটনাটি আমাদের শেখায় যে , ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসের মাধ্যমে আব্রাহাম ঈশ্বরের অনুগ্রহ লাভ করেছিলেন । কিন্তু আমাদের জীবনে , এবং কখনো কখনো মণ্ডলীতেও , আমরা দেখতে পাই অবাধ্যতা , ঈশ্বরের প্রতি অবিশ্বাস , জাগতিক প্রলোভন এবং অহংকারের মতো বিষয়গুলো ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বস্ততার অভাব তৈরি করে। এখন প্রশ্ন হলো , মণ্ড...