সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

পশুরা মৃত্যুর পরে স্বর্গে যাবে কি ? মানুষের সাথে পশুর আত্মার পার্থক্য খুঁজে দেখা

মানুষের মনে দীর্ঘ দিনের একটা কৌতূহল রয়েছে সেটা হল পশুর কি আত্মা আছে ? হ্যাঁ এই প্রশ্নটা শুধু ধর্মের কৌতূহল নয় , বরং আমাদের অস্তিত্ব , নৈতিকতা আর সৃষ্টির রহস্যের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত , দর্শন , ধর্ম ও বিজ্ঞান সবাই এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে চলেছেন , কারণ এর ভেতর লুকিয়ে আছে জীবন আর চেতনার এক গভীর অর্থ । এই রহস্যের উত্তর খোঁজার পথে প্রথমেই চোখ পড়ে ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক । কারণ হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ আত্মার অস্তিত্ব বোঝার চেষ্টা করেছে ধর্মের আয়নায় ভর করে । বিশেষ করে বাইবেলে যেখানে মানুষ ও পশুর আত্মা নিয়ে বেশ কিছু চমকপ্রদ ইঙ্গিত পাওয়া যায় । চলুন , এবার দেখা যাক বাইবেল এই রহস্যটাকে কীভাবে ব্যাখ্যা করে। ‘ আত্মা’ শব্দটা শুনলেই আমরা বুঝি জীবনের সেই অদৃশ্য শক্তি , যা দেহকে জীবিত রাখে , আর মৃত্যুর পরেও টিকে থাকে । বাইবেলে হিব্রু ভাষায় এই আত্মাকে বলা হয় “ নেফেশ” ( נפש ) , যার অর্থ হোল “জীবনের শ্বাস” বা “জীবন্ত স্বওা ” । কিন্তু ভেবে দেখার বিষয় হলো , এই শব্দটি শুধু মাত্র মানুষের জন্য ই নয় বরং মানুষ ও পশু , উভয়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়েছে । আরেকটি শব্দ আছে “ র...

খ্রীষ্টান নারীদের কি সত্যিই মাথা ঢেকে রাখা উচিত / রহস্যের বাইবেলীয় ব্যাখ্যা

শহরের একটা প্রাচীন গির্জায় , যেখানে দেখা যাচ্ছে মহিলারা মাথায় ঘোমটা দিয়ে প্রার্থনা করছেন। গির্জায় মহিলাদের মাথায় ঘোমটা? এটা কী কোন গির্জা নাকি মন্দির? নাকি আমরা ভুল দেখছি? না না আমরা ঠিকই দেখছি। কারণ বাইবেলে সাধু পৌল লিখেছেন “ ভাল , স্ত্রী যদি মস্তক আবৃত না রাখে , সে চুলও কাটিয়া ফেলুক ; কিন্তু চুল কাটিয়া ফেলা কি মস্তক মুণ্ডন করা যদি স্ত্রীর লজ্জার বিষয় হয় , তবে মস্তক আবৃত রাখুক। ” ১ করিন্থীয় ১১ অধ্যায় : ৬ পদ। সাধু পৌলর এই উক্তিটির জন্য আজও সমগ্র খ্রীষ্টীয় সমাজ দন্দে জড়িয়ে পড়ে। কেউ বলেন মহিলা জাতির সকলকেই গির্জায় মাথা ঢেকে রাখতে হবে । আবার কেউ বলেন , শুধু বিবাহিত মহিলারাই মণ্ডলীতে মাথা ঢেকে রাখবেন। আবার কেউ বলেন , বিধবারাও এর অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু অবিবাহিতা মেয়েদের জন্য এই বিধান একদমই প্রযোজ্য নয়। এখন প্রশ্ন হল, মণ্ডলীতে এই ঘোমটা কি সত্যিই বাধ্যতামূলক ? না কি এটা শুধু একটা প্রতীক , কিংবা হৃদয়ের ভক্তির বহিরপ্রকাশ ? এই রহস্যময় বিতর্কের জন্ম হয়েছিল অনেক বছর আগে , যখন সাধু পৌল করিন্থ নামক শহরের মণ্ডলীর লোকেদের কাছ থেকে কিছু জটিল প্রশ্ন পেয়েছিলেন। সেই সময়টা ছিল ৫৫ বা ৫৬ খ্র...

অভয়ার ধর্ষণ ও হত্যা মহাভারত ও বাইবেলের পাতায় গোপন সত্য প্রকাশ

  হাসপাতালের অন্ধকারে এক চিকিৎসক নারীর নীরব চিৎকার আজও সু বিচারের অপেক্ষায়। দ্রৌপদীর অপমান রাজসভা র নীরবতায় ঢাকা পড়েছিল। হাসপাতালে মানুষের জীবন বাঁচে , কিন্তু এক নারীর জীবনের প্রদীপ সেখানেই অসময়ে নিভে গেল। দাউদের ক্ষমতার ছায়ায় বৎশেবার কণ্ঠ চিরতরে নিশ্চুপ। ক্ষমতার অপব্যবহারে নারীরা বারবার সামাজিক লালসার শিকার হচ্ছে । কিন্তু কেন? ৮ আগস্টের শেষ রাতে ৯ আগস্টের শুরুর মধ্য রাতে টানা ৩৬ ঘণ্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এক উদীয়মান চিকিৎসক হাসপাতালের চেস্ট ডিপার্টমেন্টের তৃতীয় তলার সেমিনার হলে একটু বিশ্রাম নিতে গিয়েছিল। তখনও সে জানত না এটাই তাঁর শেষ বিশ্রাম। সেই অভিসপ্ত রাতেই কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার ৩৩ বছর বয়সী এক যুবক নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও শ্বাস রোধ করে খুন   করে ঐ ডাক্তারকে । পরদিন সকালে তার সহকর্মীরা তার অর্ধনগ্ন দেহ গুরুতর আঘাত সহ উদ্ধার করেন হাসপাতালের ওই তিন তালার সেমিনার   হল   থেকে। এক নারীর জীবন নিভে গেল হাসপাতালের নির্জন কক্ষে , কিন্তু হাজার বছর আগে ও আর এক নারীর অপমান রাজসভা র নীরবতায় ঢাকা পড়েছিল। যেখানে আমরা দেখতে পাই কীভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার ...