সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

খ্রীষ্টান নারীদের কি সত্যিই মাথা ঢেকে রাখা উচিত / রহস্যের বাইবেলীয় ব্যাখ্যা

শহরের একটা প্রাচীন গির্জায় , যেখানে দেখা যাচ্ছে মহিলারা মাথায় ঘোমটা দিয়ে প্রার্থনা করছেন। গির্জায় মহিলাদের মাথায় ঘোমটা? এটা কী কোন গির্জা নাকি মন্দির? নাকি আমরা ভুল দেখছি? না না আমরা ঠিকই দেখছি। কারণ বাইবেলে সাধু পৌল লিখেছেন “ ভাল , স্ত্রী যদি মস্তক আবৃত না রাখে , সে চুলও কাটিয়া ফেলুক ; কিন্তু চুল কাটিয়া ফেলা কি মস্তক মুণ্ডন করা যদি স্ত্রীর লজ্জার বিষয় হয় , তবে মস্তক আবৃত রাখুক। ” ১ করিন্থীয় ১১ অধ্যায় : ৬ পদ। সাধু পৌলর এই উক্তিটির জন্য আজও সমগ্র খ্রীষ্টীয় সমাজ দন্দে জড়িয়ে পড়ে। কেউ বলেন মহিলা জাতির সকলকেই গির্জায় মাথা ঢেকে রাখতে হবে । আবার কেউ বলেন , শুধু বিবাহিত মহিলারাই মণ্ডলীতে মাথা ঢেকে রাখবেন। আবার কেউ বলেন , বিধবারাও এর অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু অবিবাহিতা মেয়েদের জন্য এই বিধান একদমই প্রযোজ্য নয়। এখন প্রশ্ন হল, মণ্ডলীতে এই ঘোমটা কি সত্যিই বাধ্যতামূলক ? না কি এটা শুধু একটা প্রতীক , কিংবা হৃদয়ের ভক্তির বহিরপ্রকাশ ? এই রহস্যময় বিতর্কের জন্ম হয়েছিল অনেক বছর আগে , যখন সাধু পৌল করিন্থ নামক শহরের মণ্ডলীর লোকেদের কাছ থেকে কিছু জটিল প্রশ্ন পেয়েছিলেন। সেই সময়টা ছিল ৫৫ বা ৫৬ খ্র...

অভয়ার ধর্ষণ ও হত্যা মহাভারত ও বাইবেলের পাতায় গোপন সত্য প্রকাশ

  হাসপাতালের অন্ধকারে এক চিকিৎসক নারীর নীরব চিৎকার আজও সু বিচারের অপেক্ষায়। দ্রৌপদীর অপমান রাজসভা র নীরবতায় ঢাকা পড়েছিল। হাসপাতালে মানুষের জীবন বাঁচে , কিন্তু এক নারীর জীবনের প্রদীপ সেখানেই অসময়ে নিভে গেল। দাউদের ক্ষমতার ছায়ায় বৎশেবার কণ্ঠ চিরতরে নিশ্চুপ। ক্ষমতার অপব্যবহারে নারীরা বারবার সামাজিক লালসার শিকার হচ্ছে । কিন্তু কেন? ৮ আগস্টের শেষ রাতে ৯ আগস্টের শুরুর মধ্য রাতে টানা ৩৬ ঘণ্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এক উদীয়মান চিকিৎসক হাসপাতালের চেস্ট ডিপার্টমেন্টের তৃতীয় তলার সেমিনার হলে একটু বিশ্রাম নিতে গিয়েছিল। তখনও সে জানত না এটাই তাঁর শেষ বিশ্রাম। সেই অভিসপ্ত রাতেই কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার ৩৩ বছর বয়সী এক যুবক নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও শ্বাস রোধ করে খুন   করে ঐ ডাক্তারকে । পরদিন সকালে তার সহকর্মীরা তার অর্ধনগ্ন দেহ গুরুতর আঘাত সহ উদ্ধার করেন হাসপাতালের ওই তিন তালার সেমিনার   হল   থেকে। এক নারীর জীবন নিভে গেল হাসপাতালের নির্জন কক্ষে , কিন্তু হাজার বছর আগে ও আর এক নারীর অপমান রাজসভা র নীরবতায় ঢাকা পড়েছিল। যেখানে আমরা দেখতে পাই কীভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার ...

Astrology বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী, নাকি শয়তানের ছদ্মবেশ?

  আমরা কি সত্যিই গ্রহ বা নক্ষত্রের হাতের পুতুল ? প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজেদের ভাগ্য ও ভবিষ্যৎ খুঁজেছে। ভারতের মাটিতে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রভাব আরও গভীর , যা দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এই বিশ্বাস কি বাইবেলের শাশ্বত সত্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ? এই ভিডিওতে আমরা সেই আধ্যাত্মিক সংকট ও উত্তরণের পথ অনুসন্ধান করব। এখন প্রশ্ন হলো: জ্যোতিষবিদরা কি সত্যিই গ্রহ বা নক্ষত্রদের অবস্থান দেখে আমাদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম ? আর যদি না পারে ন, তবে কেন কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন জ্যোতিষশাস্ত্রের ওপর ভরসা করে ন ? যখন রাতের অন্ধকার আকাশে নক্ষত্ররা জ্বলে ওঠে , তখন তাদের নিঃশব্দ সৌন্দর্য মানুষের মনে বিস্ময় ও কৌতূহল জাগায় । ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতিতে , এই নক্ষত্ররা শুধু মাত্র আলোর বিন্দু নয় , বরং ভাগ্যের দিকনির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয় । জ্যোতিষশাস্ত্র , যা গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধির উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেয় । বিবাহ থেকে শুরু করে কর্মজীবন , এমনকি দৈনন্দিন সিদ্ধান্তেও জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রভাব অপরিসীম । কিন্তু যখন একজন খ্রীষ্টান এই ...