সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আপনি কিভাবে একজন পালক হবেন এবং বাইবেল অনুসারে আপনার মধ্যে কী কী কী গুণ থাকতে হবে ? How do you become a pastor and what qualities should you have according to the Bible ?

  পালক শব্দটি নতুন নিয়মে ইফিষীয় ৪ অধ্যায় : ১১ পদে শুধুমাত্র একবারই লক্ষ্য করা যায়। বাইবেলের নতুন নিয়মে বিভিন্ন জায়গায় পালক শব্দটির পরিবর্তে “ মেষপালক ” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এই পালক শব্দটির তাৎপর্য হল, একজন পালককে এমন হতে হবে যিনি একজন মেষপালকের মতো ঈশ্বরের মেষেদের যত্ন নিতে পারেন। উদাহরণ সরূপ ১ পিতর ৫ অধ্যায় : ১ থেকে ৫ পদটি লক্ষ্য করা যেতে পারে। এছাড়াও ইফিষীয় ৪ অধ্যায় : ১১ পদটি লক্ষ্য করলে বোঝা যায় যে ঈশ্বর তাঁর মণ্ডলীর জন্য উপযুক্ত মেষপালকে তিনি নিজেই নিয়োগ করেন। কোন ব্যক্তি তার নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা বা তার ইচ্ছা বা অন্য কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই দায়িত্ব নিজের উপর নিতে পারে না। অতএব, বাইবেলের ভাষায় বলতে গেলে, আপনি একজন পালক তখনই হতে পারেন, যখন ঈশ্বর আপনাকে যোগ্য মনে করবেন। আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, প্রতিটি পালকের দায়িত্ব হল মণ্ডলীতে ঈশ্বরের বাক্য শোনানো ও শেখানো এবং মণ্ডলীর মেষেদের কাছে ঈশ্বরের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করা। “ বস্তুতঃ যাজকের ওষ্ঠাধর জ্ঞান রক্ষা করে, ও তাহার মুখে লোকেরা ব্যবস্থার অন্বেষণ করে, ইহা উপযুক্ত; কেননা সে বাহিনীগণের সদাপ্রভুর দূত।” ( মাল...

বাইবেলে কথা বলার কৌশল যাকোব ১:১৯ | Speaking Techniques James 1:19

  যাকোব ১ অধ্যায় : ১৯ থেকে ২০ পদে উল্লেখ আছে যে, “ হে আমার প্রিয় ভ্রাতৃগণ, তোমরা ইহা জ্ঞাত আছ। কিন্তু তোমাদের প্রত্যেক জন শ্রবণে সত্বর, কথনে ধীর, ক্রোধে ধীর হউক,   কারণ মনুষ্যের ক্রোধ ঈশ্বরের ধার্মিকতার অনুষ্ঠান করে না।” “ শ্রবণে সত্বর ” হওয়ার অর্থ হল আমরা যে কোন বিষয়ে সম্পূর্ণ শুনতে চেষ্টা করি। “ কথনে ধীর ” হল এর উলটো দিক। আমরা যে কোন কথা বলার সময় ভেবেচিনতে কথা বলি এবং আমাদের মুখে যা আসে তা যেন বলে না দিই। যাকোব জিভের ব্যবহার সম্মন্ধে বলেছেন: “ যে ব্যক্তি আপনাকে ধর্মশীল বলিয়া মনে করে, আর আপন জিহ্বাকে বল্‌গা দ্বারা বশে না রাখে, কিন্তু নিজ হৃদয়কে ভুলায় তাহার ধর্ম অলীক।” ( যাকোব ১ অধ্যায় : ২৬ পদ )। পরে, তিনি আমাদের জিভকে নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে আমাদের সতর্ক করে বলেন যে : “ তদ্রূপ জিহ্বাও ক্ষুদ্র অঙ্গ বটে, কিন্তু মহাদর্পের কথা কহে। দেখ, কেমন অল্প অগ্নি কেমন বৃহৎ বন প্রজ্বলিত করে!   জিহ্বাও অগ্নি; আমাদের অঙ্গসমূহের মধ্যে জিহ্বা অধর্মের জগৎ হইয়া রহিয়াছে; তাহা সমস্ত দেহ কলঙ্কিত করে, ও প্রকৃতির চক্রকে প্রজ্বলিত করে, এবং আপনি নরকানলে জ্বলিয়া উঠে।” ( যাকোব ৩ অধ্যায় : ৫ থেকে ৬ প...

ঈশ্বর কেন সদসদ্‌-জ্ঞানদায়ক বৃক্ষ এবং জীবন বৃক্ষ রাখলেন ? Dilip jana prochar | Why did God put the tree of knowledge of good and evil in the Garden of Eden ?

  ঈশ্বর আদম এবং হবাকে সৃষ্টি করার পরে তাঁদেরকে স্বাধীন সত্তা দিয়েছিলেন। সম্ভবত ঈশ্বর এটাও দেখতে চেয়েছিলেন যে তারা ঈশ্বরের কতটা আনুগত্য বা বাধ্য থাকে। সেই কারণেই ঈশ্বর এদন বাগানে সদসদ্‌-জ্ঞানদায়ক বৃক্ষ এবং জীবনবৃক্ষ রেখেছিলেন। ঈশ্বর আদম কে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, “ ……. তুমি এই উদ্যানের সমস্ত বৃক্ষের ফল স্বচ্ছন্দে ভোজন করিও;   কিন্তু সদসদ্‌-জ্ঞানদায়ক যে বৃক্ষ তাহার ফল ভোজন করিও না, কেননা যে দিন তাহার ফল খাইবে, সেই দিন মরিবেই মরিবে।” ( আদিপুস্তক ২ অধ্যায় : ১৬ থেকে ১৭ পদ )। এই বিষয়টি ছাড়া তারা সম্পূর্ণ রুপে স্বাধীন ছিল এদন বাগানের সকল প্রকার গাছের ফল খাওয়ার ব্যাপারে। ঈশ্বর কোন রোবট তৈরি করেননি, মানুষ তৈরি করেছিলেন তাঁর নিজের মত করে। যদি ঈশ্বর আদম ও হবাকে রোবটের মত করে তৈরি করতেন তাহলে সমস্ত বিষয়টি প্রোগ্রামিং করা হত। তখন তাদের কে দেখতে বা তাদের ব্যবহার অনেকটাই এইরকমের হত। ঈশ্বর এইরকম কিছুই করেননি, তার বদলে তিনি নিজের আদলে আদম এবং হবাকে তৈরি করলেন। ( আদিপুস্তক ১ অধ্যায় : ২৭ পদ ) “ পরে ঈশ্বর আপনার প্রতিমূর্তিতে মনুষ্যকে সৃষ্টি করিলেন; ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতেই তাহাকে সৃষ্টি করিলেন, পু...

পৃথিবীর জন্য বাইবেলের শেষ সময় | Biblical end times and signs for the world | Dilip jana prochar |

  মথি ২৪ অধ্যায় : ৫ থেকে ৮ পদে প্রভু যীশু আমাদের জানিয়েছেন যুগান্তের চিহ্ন কি হবে ও কতটা ভয়ঙ্কর হবে সেই সময়। “ কেননা অনেকে আমার নাম ধরিয়া আসিবে, বলিবে, আমিই সেই খ্রীষ্ট, আর অনেক লোককে ভুলাইবে।   আর তোমরা যুদ্ধের কথা ও যুদ্ধের জনরব শুনিবে; দেখিও, ব্যাকুল হইও না; কেননা এই সকল অবশ্যই ঘটিবে, কিন্তু তখনও শেষ নয়।   কারণ জাতির বিপক্ষে জাতি ও রাজ্যের বিপক্ষে রাজ্য উঠিবে, এবং স্থানে স্থানে দুর্ভিক্ষ ও ভূমিকম্প হইবে।   কিন্তু এই সকলই যাতনার আরম্ভ মাত্র।” ভ্রান্ত বাইবেলের শিক্ষক, ভাববাদী, প্রচারক, পালক ও মণ্ডলীর বৃদ্ধি, যুদ্ধ পরিস্থিতি, এবং দুর্ভিক্ষ, ও বিভিন্ন ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগের বৃদ্ধি—এগুলি শেষ সময়ের লক্ষণ। বাক্যের এই অংশে আমাদের জন্য একটি সতর্কবাণী দেওয়া হয়েছে : আমরা যেন প্রতারিত না হই, কারণ এই ঘটনাগুলি শুধুমাত্র যাতনার শুরু; শেষটা এখনও বাকি আছে। কোন কোন ভাববাদী বা প্রচারক প্রতিটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, প্রতিটি দেশের রাজনৈতিক উত্থান পতন, এবং ইস্রায়েলের উপর প্রতিটি আক্রমণকে শেষ সময়ের চিহ্ন হিসাবে নির্দেশ করে থাকেন; এবং এও বলে যে, প্রভু যীশুর দ্বিতীয় আগমনের সময় এস...